জগদীশচন্দ্র বসু: গাছের সাড়া ও বেতার তরঙ্গের পথিকৃৎ

লিখেছেন BigyanPoka১ মিনিটে পড়ুনমন্তব্য করুন
জগদীশচন্দ্র বসু: গাছের সাড়া ও বেতার তরঙ্গের পথিকৃৎ

১৮৫৮ সালের ৩০ নভেম্বর ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন জগদীশচন্দ্র বসু। তাঁর পৈতৃক বাড়ি বিক্রমপুরের রাঢ়িখালে। পদার্থবিজ্ঞান ও উদ্ভিদবিজ্ঞান—দুই ক্ষেত্রেই তিনি রেখে গেছেন অসামান্য অবদান।

অদৃশ্য তরঙ্গের পরীক্ষা

১৮৯৫ সালে কলকাতার টাউন হলে জগদীশচন্দ্র ক্ষুদ্র তরঙ্গদৈর্ঘ্যের বেতার তরঙ্গ নিয়ে একটি পরীক্ষা দেখান। দেয়াল ভেদ করে দূরে রাখা যন্ত্রে সংকেত পাঠিয়ে তিনি ঘণ্টা বাজিয়েছিলেন। মিলিমিটার তরঙ্গ নিয়ে তাঁর এই কাজকে আজকের মোবাইল ও রাডার প্রযুক্তির অন্যতম পূর্বসূরি মনে করা হয়।

গাছেরও সাড়া আছে

পরবর্তী জীবনে তিনি উদ্ভিদের দিকে মনোযোগ দেন। নিজের উদ্ভাবিত ‘ক্রেসকোগ্রাফ’ যন্ত্র দিয়ে তিনি গাছের অতি সূক্ষ্ম বৃদ্ধি মাপেন এবং দেখান, তাপ, আলো, আঘাত বা রাসায়নিকের প্রভাবে উদ্ভিদও বৈদ্যুতিক সাড়া দেয়।

বসু বিজ্ঞান মন্দির

১৯১৭ সালে তিনি কলকাতায় প্রতিষ্ঠা করেন বসু বিজ্ঞান মন্দির (বোস ইনস্টিটিউট)। তিনি বিশ্বাস করতেন, জ্ঞান সবার জন্য উন্মুক্ত থাকা উচিত। চাঁদের একটি গর্তের নামও রাখা হয়েছে তাঁর নামে।