আমাদের ল্যাপটপ বা মোবাইলের প্রতিটি হিসাব চলে বিট দিয়ে, যার মান হয় ০, নয়তো ১। কোয়ান্টাম কম্পিউটার ব্যবহার করে কিউবিট, যা কোয়ান্টাম সুপারপজিশনের কারণে একই সঙ্গে ০ ও ১-এর মিশ্র অবস্থায় থাকতে পারে।
সোনালি ঝাড়বাতির রহস্য
কোয়ান্টাম কম্পিউটারের ছবিতে যে সোনালি ঝাড়বাতির মতো কাঠামো দেখা যায়, সেটি আসলে একটি বিশেষ শীতলীকরণ যন্ত্র। অনেক ধরনের কিউবিটকে কাজ করাতে মহাশূন্যের চেয়েও ঠান্ডা, পরম শূন্যের কাছাকাছি তাপমাত্রায় রাখতে হয়।
কোথায় এগিয়ে?
সব কাজে কোয়ান্টাম কম্পিউটার দ্রুত নয়। তবে নতুন ওষুধ বা উপাদানের অণুর আচরণ অনুকরণ, কিছু জটিল অপটিমাইজেশন সমস্যা, আর বড় সংখ্যাকে উৎপাদকে ভাঙার মতো কাজে এটি বিপুল সুবিধা দিতে পারে। শেষেরটি আজকের অনেক এনক্রিপশন ব্যবস্থার জন্য হুমকি, তাই ‘কোয়ান্টাম-নিরাপদ’ এনক্রিপশন তৈরির কাজ চলছে।
সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ: ভুল
কিউবিট অত্যন্ত সংবেদনশীল—সামান্য তাপ বা কম্পনেই তথ্য নষ্ট হয়। তাই অনেক ভৌত কিউবিট মিলিয়ে একটি নির্ভরযোগ্য ‘লজিক্যাল কিউবিট’ তৈরির কৌশল, অর্থাৎ কোয়ান্টাম ত্রুটি সংশোধন, এখন গবেষণার কেন্দ্রে।









