মঙ্গলে প্রাণের খোঁজ: পারসিভিয়ারেন্স রোভার কী পেল?

লিখেছেন BigyanPoka১ মিনিটে পড়ুনমন্তব্য করুন
মঙ্গলে প্রাণের খোঁজ: পারসিভিয়ারেন্স রোভার কী পেল?

২০২১ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি নাসার রোভার পারসিভিয়ারেন্স মঙ্গলের জেজেরো খাদে অবতরণ করে। বিজ্ঞানীদের ধারণা, প্রায় সাড়ে তিনশো কোটি বছর আগে এখানে একটি হ্রদ ছিল, আর একটি নদী এসে মিশেছিল তাতে।

কেন জেজেরো খাদ?

পৃথিবীতে নদীর বদ্বীপের পলিমাটিতে জীবাশ্ম ভালোভাবে সংরক্ষিত থাকে। তাই প্রাচীন প্রাণের চিহ্ন খুঁজতে মঙ্গলের শুকিয়ে যাওয়া এই বদ্বীপকে বেছে নেওয়া হয়েছে।

পাথরের নমুনা, পৃথিবীর জন্য

রোভারটি ড্রিল দিয়ে পাথরের ছোট ছোট নমুনা কেটে বিশেষ টিউবে ভরে রাখছে। ভবিষ্যতের কোনো অভিযানে এই নমুনা পৃথিবীতে এনে আধুনিক গবেষণাগারে পরীক্ষা করার পরিকল্পনা আছে।

২০২৪ সালে ‘চেয়াভা ফলস’ নামের একটি পাথরে চিতাবাঘের ছোপের মতো দাগ পাওয়া যায়। পৃথিবীতে এমন দাগ অনেক সময় অণুজীবের রাসায়নিক কর্মকাণ্ডের ফলে তৈরি হয়। বিজ্ঞানীরা একে ‘সম্ভাব্য জৈব-চিহ্ন’ বলছেন—তবে প্রাণহীন রাসায়নিক প্রক্রিয়াতেও এমন দাগ হতে পারে কি না, তা যাচাই চলছে।

ছোট্ট হেলিকপ্টারের বড় অর্জন

পারসিভিয়ারেন্সের সঙ্গে গিয়েছিল ছোট্ট হেলিকপ্টার ইনজেনুইটি। ২০২১ সালের ১৯ এপ্রিল এটি অন্য কোনো গ্রহে প্রথম নিয়ন্ত্রিত উড্ডয়ন সম্পন্ন করে। মাত্র পাঁচটি উড্ডয়নের পরিকল্পনা থাকলেও এটি উড়েছিল ৭২ বার।